চার ইমামের জীবনি - ইমাম বুখারীর জীবনী - Four Imam - Slunečnice.cz Hlavní navigace

 চার ইমামের জীবনি - ইমাম বুখারীর জীবনী - Four Imam 1.2

Pro hodnocení programu se prosím nejprve přihlaste

Staženo 0 ×
Zdarma

Sdílet

চার ইমামের জীবনী / The four Great Imam of Islam এবং ইমাম বুখারীর জীবনী নিয়ে এই শিক্ষামূলক অ্যাপটি। চার ইমাম যেমন- ইমাম আবূ হানিফাহ (র), ইমাম মালিক (র), ইমাম শাফিয়ী (র), ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (র), এদের সকলেরই আক্বীদাহ বিশুদ্ধ ছিল। তাদের আক্বীদাহ ছিল কুরআন ও সহীহ হাদীস অনুযায়ি ‘আক্বীদাহ। তাদের আক্বীদাহ ছিল রাসূল (সা) এবং তার সাহাবা কিরামদের ‘আক্বীদাহ্‌। অর্থাৎ তাদের সকলেরই ‘আক্বীদাহ ছিল এক। কিন্তু আমরা সেদিকে কর্ণপাত না করে, মাযহাবের দোহাই দিয়ে নিজেদের খেয়াল খুশি মতো চলছি। যা একজন সত্যিকারের মুসলমানের উচিৎ নয়। চার মাযহাব সম্পর্কে জানতে হলে চারজন ইমাম সম্পর্কে জানা দরকার।

ইমাম আবূ হানীফা (র) বলেছেন: যখন কোন (বিষয়ে) সহীহ হাদীস পাওয়া যাবে সেই সহীহ হাদীসকে আমার মাযহাব বলে জানবে।

তিনি আরও বলেছেন: আমি যদি এমন কথা বলি যা আল্লাহ তায়ালার কিতাব এবং রাসূল (স) –এর হাদীসের বিপরীত, তাহলে আমার কথাকে বর্জন কর (এবং কোরআন-হাদীসকে আঁকড়ে ধর)

তিনি আরও বলেছেন: সাবধান! তোমরা আল্লাহর দ্বীনে নিজেদের অভিমত প্রয়োগ করা হতে বিরত থাক। সকল অবস্থায়ই সুন্নাহর অনুসরণ কর। যে ব্যক্তি সুন্নাহ হতে বের হবে সে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।

২. ইমাম মালিক (রা) বলেছেন: আমি একজন মানুষ মাত্র। চিন্তা গবেষণায় ভুলও হয় আবার সঠিকও হয়। সুতরাং আমার যে অভিমত কুরআন ও সুন্নাহর অনুকূলে পাও তা গ্রহণ কর। আর যা অনুকূলে নেই তা বর্জন কর।

৩. ইমাম শাফিয়ী (র) বলেছেন: তোমাদের কারো কাছ থেকে যেন রাসূলুল্লাহ (সা) এর সুন্নাহ ছুটে না যায়। আমি যতো কিছুই বলে থাকি তা যদি রাসূল (সা) এর হাদীসের বিপরীত হয় তাহলে রাসূল (সা) এর কথাই আমার কথা।

৪. ইমাম আহমদ (র) বলেছেন: ইমাম আওযাঈ এর অভিমত, ইমাম মালিক এর অভিমত এবং ইমাম আবু হানিফার অভিমত সবই আমার কাছে অভিমত হিসাবে সমান অর্থাৎ একটাও শরীয়তের দলীল হতে পারে না। সাহাবীদের কথা শরীয়তের দলীল হবে।

ইমাম আহমদ (রা) আরও বলেছেন: যে ব্যক্তি রাসূল (সা) এর হাদীসকে প্রত্যাখ্যান করে সে ধ্বংসের মুখে দাঁড়িয়ে আছে।


আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন:

নিশ্চয় এটাই হচ্ছে আমার সরল-সোজা পথ। সুতরাং তোমরা এই পথেই চলো। আর অন্যান্য পথের অনুসরণ করো না। তা হলে সেসব পথ তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিবে। (সূরা আন-আম – ৬:১৫৩)

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন:

তোমরা আল্লাহর রজ্জুকে শক্তভাবে ধারণ করো এবং তোমরা দলে দলে বিভক্ত হয়ে যেও না। (সুর ইমরান- ৩:১০৩)
আল্লাহ তায়ালা আরও বলেছেন:
যারা নিজেদের ধর্মকে ভাগ ভাগ করে পৃথক পৃথক দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে (হে রাসূল) আপনার কোনো সম্পর্ক নেই তাদের সাথে। তাদের বিষয় আল্লাহর হাতে। তিনি তাদেরকে (এর কুফল) জানিয়ে দিবেন। (সুরা আন আম- ৬:১৫৯)


সুন্নাত রাসূল (সা) বলেছেন, তোমারাদের মধ্যে যারা আমার পর বেঁচে থাকবে তারা (দ্বীনি বিষয়ে) বহু মতভেদ দেখতে পাবে। এমতাবস্থায় তোমাদের অপরিহার্য্য কর্তব্য হলো আমার সুন্নাত এবং সুপথ প্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশিদীনের সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরা। সুন্নাতকে মাড়িয়ে দাঁত দ্বারা শক্তভাবে কামড় দিয়ে ধরবে। আর সাবধান থাকবে (দ্বীনের নামে) নব আবিস্কৃত বিষয় সমূহ হতে। কারণ, প্রতিটি নব আবিস্কৃত বিষয় হল বিদআত। আর সকল প্রকার বিদআত হলো পথভ্রষ্টতা (আর সকল পথ ভ্রষ্টতার পরিণাম জাহান্নাম) – সুনানে আবু দাউদ, তিরমিজী; সানাদ সহীহ।

প্রচলিত চার মাযহাব রাসূল (সা) এর সুন্নাতও নয়, খলিফা আবুবকর, উমর, উসমান এবং আলী (রা)-এর সুন্নাতও নয়। বরং তাঁদের অনেক পরে এসব নতুন আবিষ্কার করা হয়েছে। রাসূল (সা) বলেছেন: বনি ইসরাঈল ৭২ দলে বিভক্ত হয়েছে। আর আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। একটি ছাড়া সবই জাহান্নামে প্রবেশ করবে। জিজ্ঞাসা করা হলো ঐ নাজাত প্রাপ্তদল কারা? রাসূল (সা) বললেন, যারা ঐ পথে থাকবে যে পথে আমি ও আমার সাহাবাগণ রয়েছি। – সুনানে আবু দাউদ

উল্লেখিত হাদীস থেকে পরিষ্কার বুঝা যায় যে, মুক্তি পেতে হলে সে পথেই চলতে হবে যে পথে রাসূল (সা) এবং সাহাবীগণ ছিলেন।



এই অ্যাপটিতে পাচ্ছেন --

* imam abu hanifa bangla
* the four imams
* imam bukhari jiboni

আশাকরি আপনাদের আমাদের এই অ্যাপটি ভালো লাগবে। আপনারা আমাদেরকে অবশ্যই ৫ স্টার দিয়ে অনুপ্রানিত করবেন। ধন্যবাদ আমাদের সাথে থাকার জন্য। আপনার মতামত আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাবেন।

এই অ্যাপটির ডাউনলোড লিংক--
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.jpapps.the_four_imams_history

Pro hodnocení programu se prosím nejprve přihlaste

Staženo
0 ×

TIP: Stahují se vám programy pomalu? Změřte si rychlost svého internetového připojení.